টপ ৫: সর্বকালের সেরা ফুটবলার

যেকোন খেলার ক্ষেত্রেই সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের নির্বাচন করা খুব কঠিন। আর ফুটবলে তো আরো কঠিন কেননা প্রাচীন এই খেলাটি আজ অবধি দেখেছে অনেক অনেক মহারথী। যাদের মধ্যে অনেকেই তাদের সময় ছাড়িয়ে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হওয়ার দাবিদার। তাছাড়া সেরা ফুটবলার নির্বাচন করা আরো কঠিন কারন, যদি আপনি কোন আর্জেনটাইনকে জিজ্ঞেস করেন, তবে সে হয়তো ম্যারাডোনা বা মেসিকে বেছে নিবে, আবার কোন ব্রাজিলিয়ানকে বললে তারা বলবে পেলে। তেমনি ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে ববি চার্লটন, ফ্রান্সের ক্ষেত্রে জিদান ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে আমাদের এই সর্বকালের সেরা ৫ ফুটবলার নির্বাচনের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব নিরপেক্ষ থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। আর খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাদের স্কিল, ট্রফি, খেলাটির উপর তার কর্তৃত্ব, জনপ্রিয়তা ইত্যাদি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তো চলুন দেখে নেই ৫ জন সর্বকালের সেরা ফুটবলার।

সর্বকালের সেরা ফুটবলার

৫. জোহান ক্রুইফ

জোহান ক্রুইফ
জোহান ক্রুইফ

সর্বকালের সেরা ফুটবলার দের লিস্টে ৫ম স্থানে আছেন জোহান ক্রুইফ। তিনি ছিলেন একজন মিডফিল্ডার যিনি ছিলেন মাঝমাঠে অতুলনীয়। তার সময়ে আয়াক্স, বার্সেলোনা এবং ডাচ জাতীয় ফুটবল দলের সাফল্যের মূল কারিগর ছিলেন এই জোহান ক্রুইফ। তিনি তিন বার ইউরোপিয়ান প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার (ব্যালন ডি অর) জিতেছেন।

তিনি ছিলেন শারীরিক এবং টেকনিক্যালি পরাক্রমশালী। হালকা পাতলা শরীর থাকলেও ক্রুইফ ছিলেন সেই সময়কার অন্যতম ফিট ফুটবলার। অবিশ্বাস্য রকমের স্পিড থাকার ফলে সহজেই ডিফেন্ডারদেরকে পেছনে ফেলতে পারতেন। এছাড়া চিলো ঈশ্বরপ্রদত্ত টেকনিক যেমন দারুন সব ড্রিবলিং আর আক্রমন করার দক্ষতা।

ক্রুইফ ছিলেন অন্যতম সেরা ক্লাব ফুটবলার। তিনি ডাচ ক্লাব আয়াক্সের হয় ১৯৭১ – ৭৩ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি ইউরোপিয়ান কাপ, ১৯৭২ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ এবং ৮ বার ডাচ লীগের শিরোপা জিতেছেন। পরে তিনি বার্সেলোনায় আসলে বার্সেলোনাকে দীর্ঘ ১৪ বছরের লীগ শিরোপা খরার পর লীগ শিরোপা জিততে সাহায্য করেন। তিনি ছিলেন ১৯৭০ এর সেই বিখ্যাত টোটাল ফুটবল নামে পরিচিত দলের অধিনায়ক। তবে তিনি নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের হয়ে শিরোপা জিততে পারেননি যদিও ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে তার দল ফাইনালে উঠে এবং পশ্চিম জার্মানির কাছে শিরোপা হেরে যায়।

খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি বার্সেলোনা এবং আয়াক্স উভয় দলের হয়ে সফলতার সাথে কোচের দায়িত্ব পালন করেন। কোচ হিসেবে তিনি বার্সেলোনা এবং আয়াক্স উভয় দলের হয়েই তিনি ইউরোপিয়ান কাপ জিতেন। তিনি ২০১৬ সালের ২৪ সে মার্চ ৬৪ বছর বয়সে শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারনে মারা যান।

৪. জিনেদিন জিদান

জিনেদিন জিদান
জিনেদিন জিদান

জিনেদিন জিদান একজন ফ্রেঞ্চ লীজেন্ড যিনি ফুটবলের অন্যতম সেরা টেকনিশিয়ান বলে বিবেচিত। তিনি আমাদের সর্বকালের সেরা ফুটবলার দের লিস্টে ৪র্থ স্থানে আছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলে তিনি প্লেমেকার হিসেবে খেলছেন। ক্লাব পর্যায়ে তিনি জুভেন্টাস এবং রিয়াল মাদ্রিদের মত মর্যাদাপূর্ণ ক্লাবের হয়ে খেলেছেন।

অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে জিদানের সবচেয় বড় দক্ষতা ছিলো বলের উপর তার কন্ট্রোল। যা কিনা প্র্যাকটিসের সময় তার টিমমেট এবং মাঠে খেলার সময় ফ্যানদের কাছে খুবই সমাদৃত ছিলো। মাঠে বলতে গেলে তিনি বল দিয়ে যেন যা খুশি তাই করতে পারতেন। তার ড্রিবলিং এবং পাসিং তাকে লীজেন্ড হিসেবে অন্যদের থেকে পৃথক করেছে। হেড করা, ফ্রি কিক নেওয়া, পেনাল্টি শুট করা, দারুন সব দৃষ্টিনন্দন গোল করার কারনে তাকে ইতিহাসের অন্যতম কমপ্লিট মিডফিল্ডার হিসেবেও বিবেচনা করা হয়।

খেলোয়াড় হিসেবে একজন ফুটবলার বড় যত ট্রফি জিততে পারে তার সবটাই তিনি জিতেছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে তিনি ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ (ফাইনালে ২ গোল) এবং ২০০০ সালে ইউরোপিয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছেন। ক্লাব পর্যায়ে তিনি ২০০২ সালে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতেন এবং জুভেন্টাস এবং রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে যথাক্রমে ১৯৯৬ এবং ২০০২ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ জিতেন। ব্যক্তিগত ট্রফি হিসেবে তিনি তিন বার ফিফা বর্ষসেরা ফুটবলার এবং একবার ব্যালন ডি’অরে ভূষিত হন।

তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ ছিলো ২০০৬ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল। যেখানে তিনি ইতালি ফুটবলার মাতেরেজ্জিকে মাথা দিয়ে বুকে মেরে ফেলে দেন, লাল কার্ড দেখেন এবং ইতালি চ্যাম্পিয়ন হয়। ফুটবল খেলা ছাড়ার পর তিনি দাতব্য সংস্থার হয়ে কাজ করেন এবং ২০০৯ সালে রিয়াল মাদ্রিদের অ্যাডভাইজর হিসেবে যোগ দেন। এরপর তিনি ২০১৩ সালে রিয়ালের অ্যাসিস্ট্যান্ট কোচ এবং ২০১৬ সালে রিয়ালের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান। আর রিয়ালের প্রধান কোচ তিনি প্রথম মৌসুমেই চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতেন এবং এরপর আরো টানা দুইবার জিতে ইতিহাসে প্রথম কোচ হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জয়ের হ্যাট্রিক করেন।

৩. লিওনেল মেসি

লিওনেল মেসি
লিওনেল মেসি

লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ২৪ মার্চ ১৯৮৭ তে যার জন্ম। মেসি আর্জেন্টিনা জাতীয় দল এবং ক্লাব পর্যায়ে বার্সেলোনার হয়ে খেলেন। লিওনেল মেসি নিঃসন্দেহে বর্তমান সময়ের সেরা ফুটবলার। তিনি সাধারনত ফরোয়ার্ড হলেও প্লেমেকার এবং মিডফিল্ডার হয়েও খেলেন।

মেসির ছিলো ঈশ্বর প্রদত্ত সব টেকনিক। অনেক ফুটবল পন্ডিত, খেলোয়ার আর কোচদের মতে মেসিই ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবল খেলোয়াড়। বল পায়ে তার ড্রিবলিং আর গতিতে মুগ্ধ পুরো বিশ্ব। এমনি ডিফেন্ডাররা পর্যন্ত তার খেলা দেখে মেহিত হয়ে যায়। ড্রিবলিং এর সময় যেন মনে হয় যে তার পায়ের সাথে হয়ত বলটি গ্লু দিয়ে লাগানো রয়েছে। ফ্রি কিকে গোল করাও ছিলো তার অন্যতম সৌন্দর্য। আর ৫ – ৬ জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দৃষ্টিনন্দন গোলও তিনি কম করেননি।

খেলোয়াড় হিসেবে প্রায় সব ব্যক্তিগত রেকর্ড আর ট্রফিই মেসি জিতেছেন। ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনি টানা চার বার চ্যাম্পিয়ন্স লীগের টপ স্কোরার হন। তিনি প্রথম প্লেয়ার হিসেবে টানা চারবার ফিফা / ব্যালন ডি’অর এবং মোট পাঁচবার ফিফা / ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তিনি সবচেয়ে কম বয়সে লা লীগায় ২০০ গোল কারী খেলোয়াড় এবং এই প্রতিযোগিতায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। বার্সেলোনার হয়ে সবচেয়ে বেশি গোলও মেসিরই। ২০১২ সালে ৯১ গোল করে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি অফিসিয়াল গোল করার জন্য গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এ তার নাম উঠে। শুধুমাত্র গোল করাই না গোল করানোতেও মেসি দারুন পারদর্শী। আর তাই লা লীগায় সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট মেসির।

দলীয় সাফল্যেও মেসি অন্যতম। ক্লাব দল বার্সেলোনার হয়ে এখনো পর্যন্ত তিনি ৭ টি স্প্যানিশ লীগ শিরোপা এবং ৪ টি চ্যাম্পিয়নস লীগ জিতেছেন।তবে ক্লাব দলের হয়ে মেসির রেকর্ডের ঘোড়া ছুটলেও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে তিনি অতটা সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। একারনেই এখনো পর্যন্ত তার সেরা সাফল্য একটি মাত্র অলিম্পিক মেডেল জয়। যদিও ২০১৪ সালে তার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ফাইনালে এবং ২০১৫ সালের কোপা আমেরিকাতে ফাইনালে উঠে এবং বিশ্বকাপে সেরা প্লেয়ার নির্বাচিত হন। ৫৮ গোল করে মেসিই আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল স্কোরার।

মাত্র ২৯ বছর বয়সেই তিনি যতটা সাফল্য অর্জন করেছেন অনেক প্লেয়ার তা কল্পনাও করতে পারে না। এখনো যেই দুর্দান্ত ফর্মে আছেন তাতে আরো অনেক রেকর্ডই যে তিনি ভাঙবেন তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। ক্যারিয়ার শেষে হয়তো তিনি নিজেকে নিয়ে যাবেন অন্য উচ্চতায়। আর তাই আশাকরি, আমাদের সর্বকালের সেরা ফুটবলার দের লিস্টে ৩য় স্থানে তিনি উপযুক্ত কারনেই আছেন।

২. ডিয়াগো ম্যারাডোনা

ডিয়াগো ম্যারাডোনা
ডিয়াগো ম্যারাডোনা

সর্বকালের সেরা ফুটবলার দের লিস্টে ১ম এবং ২য় স্থান নিয়ে সবসময়ই বিতর্ক থাকবে। পেলে নাকি ম্যারাডোনা? কাকে রেখে কাকে রাখবো? তবে দুজনের স্কিল, ট্রফি, খেলাটির উপর কর্তৃত্ব, জনপ্রিয়তা ইত্যাদি বিবেচনা করে আমাদের এই লিস্টে আমরা ২য় স্থানে রেখেছি ডিয়াগো ম্যারাডোনা কে।

তিনি আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এয়ার্স এর ভিয়া ফিওরিটোতে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি এমন একজন আর্জেন্টাইন গ্রেট ফুটবলার যার পুরো ক্যারিয়ারে সাফল্য এবং বিতর্ক উভয়ই আছে। তিনি ছিলেন একজন চমৎকার প্লেমেকার। ম্যারাডোনার নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা ১৯৮৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে। ক্লাব পর্যায়ে তিনি নাপোলি দলের হয়ে খেলেছেন।

ম্যারাডোনা ফুটবলের অন্যতম সেরা কলাকুশলি। বল পায়ে তিনি ছিলেন দারুন ড্রিবলার। উচ্চতায় ছোট হওয়ার কারনে তিনি দ্রুত নড়াচড়া করতে পারতেন যার কারনে তাককে থামানো ছিলো অনেকটাই আরাধ্য। জাতীয় দলের হয়ে তার গোল সংখ্যা ৩৪। অধিনায়ক হিসেবে তারা নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ জিতে এবং ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয়। ক্লাব পর্যায়ে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে তিনি ১৯৮৩ লা লীগা শিরোপা জয় করেন। আর ইতালির দল নাপোলির হয়ে দুইটি সিরিআ শিরোপা এবং একটি ইউয়েফা কাপ জিতেন। তবে ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে ডোপ টেস্টে ফেল করার পরই তার ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি হয়।

খেলা থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি ২০০৮ সালে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন। কোচ হিসেবে তার খেলানোর ধরন একেবারে খারাপ না হলেও ২০১০ বিশ্বতাপে জার্মানির কাছে আর্জেন্টিনার ৪ – ০ গোলে হারের পরই আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তার ইতি হয়। এরপর তিনি আরবের ক্লাব দল আল ওয়ালসের হয়েও কোচের দায়িত্ব পালন করেন।

১. পেলে

পেলে
পেলে

আমাদের মতে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ঈশ্বর পেলে। তিনি ২৩ অক্টোবর ১৯৪০ সালে ব্রাজিলে জন্মগ্রহন করেন। তিনি শুধুমাত্র ফুটবল খেলার গ্রেটই না, আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি ১৯৯৯ সালে তাকে “অ্যাথলেট অফ দ্য সেঞ্চুরি” সম্মানে ভুষিত করে। তিনি ব্রাজিল জাতীয় দলে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলতেন এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছেন।

পেলে ছিলো একজন কমপ্লিট ফুটবলার। তিনি ছিলেন একাধারে অ্যাথলেটিক, কৌশুলি, বুদ্ধিমান, গতিময় এবং একজন সত্যিকারের গোল স্কোরার। বাই সাইকেল কিকের মত আরো অনেক কঠিন মুভও তিনি সহজেই করে ফেলতেন। ফুটবলের উপর তার প্রভাবের কারনেই তাকে গ্রেটেস্ট বলা হয়। সেই ১৬ বছর বয়সে প্রথম ম্যাচ থেকে পুরো ক্যারিয়ার জুড়েই ফুটবল খেলার উপর তিনি কর্তৃত্ব করেছেন। তার সময়ে তিনি ছিলেন একছত্র রাজা।

পেলে তার ক্যারিয়ারে যা কিছু করছেন তা কল্পনাও করা যায় না। তিনি ১৩৬৩ ম্যাচে ১২৮১ টি গোল করেছেন যে রেকর্ডটি এখনো আছে। এর মধ্যে তিনি ৬ বার ৫ গোল, ৩০ বার ৪ গোল এবং ৯২ বার ৩ গোল নিয়ে ম্যাচ শেষ করছেন। তার ১০০০ তম গোলটি আসে মারাকানা স্টেডিয়ামে পেনাল্টি গোলের মাধ্যমে। জাতীয় দলের হয়ে তিনি ১৯৫৮, ১৯৬২ এবং ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ এবং ১৯৫৯ সালের কোপা আমেরিকা জিতেছেন। ক্লাব পর্যায়ে তিনি সান্তোস, নিউ অর্ক কসমসের হয়েও অনেক শিরোপা জিতেছেন। এর মধ্যে লীগ শিরোপা, কোপা লিবার্তাদোরেস, ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ, সাও পাওলো চ্যাম্পিয়নশিপ, এনএএসএল চ্যাম্পিয়নশিপ ইত্যাদি শিরোপা জিতেছেন। এছাড়াও তিনি আরো অনেক ব্যক্তিগত ট্রফি জিতেছেন।

অবসরের পর তিনি নানা রকম কল্যানমূলক কাজে যুক্ত হন। তিনি ইউনিসেফ এর কল্যানমূলক কাজের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি দ্য গেম অফ ফুটবলেরও অ্যাম্বাসেডর এবং এখন পর্যন্ত তিনি এ জন্য অনেক দেশে অনেক টুর্নামেন্টে অ্যাম্বাসেডরের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশেষ সম্মাননা: ববি চার্লটন, ফ্রাঙ্ক পুসকাস, ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্দো, ফ্রাঙ্ক বেকেনবাওয়ার, আলফ্রেড ডি স্টেফানো, রোনালদিনহো, রোনাল্দো দ্য লিমা, মিশেল প্লাতিনি, ইউসেবিও, গারিঞ্চা।

data-matched-content-rows-num="2" data-matched-content-columns-num="2"

1 Response

  1. আর্জেন্টিনার সব আবাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

13 Shares
Share via
Copy link