টপ ৫: বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা হলিউড মুভি

টপ_৫_বিশ্বের_সবচেয়ে_বেশি_আয়_করা_মুভি

টপ ৫: বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা মুভি

প্রতিবছর বিশ্ব জুড়ে অসংখ্য মুভি রিলিজ হয়। এর মধ্যে কিছু মুভি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পায় এবং বিপুল পরিমান মুনাফা আয় করে। আর এক্ষেত্রে হলিউডের মুভি অন্যান্য মুভি থেকে অনেকটাই এগিয়ে। কারন পুরো বিশ্বব্যপীই হলিউড মুভির একটা ক্রেজিনেস আছে। একটি ভালো কাহিনী, ভালো অভিনয়ই কেবল মুভির জনপ্রিয়তা বা মুনাফা নির্ণয় করে না বরং আরো অনেক ফ্যাক্টরই আছে যার কারনে একটি মুভি আর্থিকভাবে সফল হয়। তো এখন দেখবো আর্থিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে সফল ৫ টি মুভি সম্পর্কে। তো চলুন দেখি কোন মুভিগুলো আছে সবচেয়ে বেশি আয় করা মুভির তালিকা:

টপ ৫: বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা মুভি

দ্য_অ্যাভেঞ্জার্স

দ্য অ্যাভেঞ্জার্স

৫) দ্য অ্যাভেঞ্জার্স: সবচেয়ে বেশি আয় করা মুভির ৫ম স্থানে আছে ২০১২ সালের আমেরিকান একট মুভি যার নাম দ্য অ্যাভেঞ্জার্স: এজ অফ আল্ট্রন যার ভিত্তি হলো মার্ভেল কমিকস্ সুপার হিরোরা। মুভিটি মার্ভেল স্টুডিও প্রযোজিত এবং বিশ্বব্যাপী পরিবেশন করে ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিওস মোশন পিকচার্স। এটি মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স সিরিজের এর ৬ষ্ঠ মুভি। এর পরিচালক জস হেডন এবং প্রযোজক কেভিন ফেইজ। রবার্ট ডাউনি জুনিয়র, ক্রিস ইভানস, মার্ক রাফালো, ক্রিস হেমসওর্থ, স্কার্লেট ইয়োহান্সন, জেরেমি রেনার, টম হিডেলস্টোন, ক্লার্ক গ্রেগ, স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন প্রমুখ। মুভিতে আয়রন ম্যান, ক্যাপ্টেন আমেরিকা, দ্য হাল্ক এবং থর মিলিত হয় থরের ভাই লকি কে থামাতে। কারন লকি পুরো পৃথিবীকে তার নিজের অধীন করতে চেয়েছিলো। দ্য অ্যাভেঞ্জার্স মুভিটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ১.৫২ বিলিয়ন মারর্ককিন ডলার আয় করে।

আরো পড়ুন:  টপ ৫: সবচেয়ে বেশি আয় করা ভারতীয় মুভি (বলিউড ও অন্যান্য)
দ্য_অ্যাভেঞ্জার্স

দ্য অ্যাভেঞ্জার্স

৪) জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: জুরাসিক ওয়ার্ল্ড হলো ২০১৫ সালের কল্পবিজ্ঞান নির্ভর একটি আমেরিকান মুভি। এটি জনপ্রিয় জুরাসিক ওয়ার্ল্ড মুভি সিরিজের ৪র্থ মুভি। মুভিটির পরিচালক এবং সহকারী-লেখক হচ্ছেন মার্কিন নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার কলিন ট্রেভরো। ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’ মুভির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্রিস প্র্যাট, ডালাস হাওয়ার্ড, জেক জনসন, ইরফান খান প্রমুখ। মুভিটিতে দেখা যাবে ডাইনোসরদের সাথে মানুষের মোকাবিলা। সিরিজের অন্যান্য পর্বের মতো এই পর্বও ছিলো খুবই রোমাঞ্চমুখর এবং থ্রিলিং। জুরাসিক ওয়ার্ল্ড মুভিটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ১.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে।

স্টার_ওয়ার্স_দ্য_ফোর্স_অ্যাওয়েকেন্স

স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স

৩) স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স: স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স একটি আমেরিকান মহাকাব্যিক মহাকাশ এবং কল্পবিজ্ঞান সম্পর্কিত মুভি। মুভিটির ডিরেক্টর, সহ-প্রযোজক এবং সহকারী লেখক হলেন জে. জে. অ্যাব্রামস। এটি স্টার ওয়ার্স মুভি সিরিজের ৭ম মুভি। মুভিটিতে প্রধান প্ধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন হ্যারিসন ফোর্ড, মার্ক হামিল, ক্যারি ফিশার, অ্যাডাম ড্রাইভার, ডেইজি রিডলি, জন বোয়েগা, অস্কার আইজ্যাক এবং ডমনাল গ্লিসন প্রমুখ। মুভিটি রিটার্ন অব দ্য জেডাই (১৯৮৩) এর ৩০ বছর পরের প্রেক্ষাপট নিয়ে আবর্তিত। এতে রে, ফিন এবং পো ড্যামেরন গ্যালাকটিক এম্পায়ারের বংশধর কাইলো রেন এবং দ্য ফার্স্ট অর্ডারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দেখা যায়। স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স মুভিটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২.০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে তালিকায় ৩য় স্থানে আছে।

টাইটানিক

টাইটানিক

২) টাইটানিক: তালিকার ৪ নম্বরে আছে ১৯৯৭ সালের বিশ্ববিখ্যাত রোমান্টিক মুভি টাইটানিক। যার লেখক, পরিচালক, সহকারী প্রযোজক, সহকারী ইডিটর হলেন দিগ্বিজয়ী চলচিত্রকার জেমস ক্যামেরন। ছবির প্রধান চরিত্রে আছেন লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও (জ্যাক ডসন) ও কেট উইন্সলেট (রোজ ডিউইট বিউকেটার)। আরো বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিলি জেইন, ক্যাথি বেটস, ফ্রান্সিস ফিশার, ভিক্টর গার্বার, গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট, বার্নার্ড হিল, ড্যানি নিউক্কি, বিল পাক্সটন প্রমুখ। মুভিতে দেখা যায়, উচ্চবিত্ত সমাজের মেয়ে রোজের সাথে টাইটানিক জাহাজে নিম্নবিত্ত সমাজের জ্যাকের প্রেম হয়। ১৯১২ সালের টাইটানিকের পরিণতির পটভূমিতে তাদের এই ট্র্যাজেডিই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ছবিটিতে। প্রেমের গল্প আর প্রধান চরিত্রগুলো কাল্পনিক হলেও অনেকগুলো পার্শ্ব চরিত্র এবং দৃশ্য ঐতিহাসিক সত্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে। টাইটানিক মুভিটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে।

অ্যাভাটার

অ্যাভাটার

১) অ্যাভাটার: অ্যাভাটার মুভিটি একটি মহাকাব্যিক সাইন্স-ফিকশন মুভি। মুভিটির লেখক এবং পরিচালক হলেন প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক জেমস ক্যামেরন যিনি টাইটানিক টারমিনেটর, অ্যালিয়েন্স ইত্যাদি রেকর্ডব্রেকিং মুভি পরিচালনা করেছেন। মুভিটির প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো সালডানা, স্টিফেন লাং, মিশেল রড্রিগেজ, জোয়েল ডেভিড মুর, জিওভান্নি রিবিসি, সিগুর্নি উইভার প্রমুখ। কাহিনীর পটভূমি ২২ শতকের মধ্যভাগ, যখন আর, ডি, এ আনঅবটেনিয়ামের খোঁজে মানুষ সেনটাউরি তারকা মন্ডলের একটি গ্যাসীয় গ্রহের প্যানডোরা নামক পৃথিবীর মত এক উপগ্রহে গিয়ে হাজির হয়। যার আবহাওয়া মানুষের বসবাসের উপযোগী নয়। এই গ্রহের অধিবাসীদের বলা হয় না’ভি। না’ভিরা তাদের গ্রহে খুব আনন্দেই বসবাস করছিল যতদিন পর্যন্ত না মানুষ প্যানডোরায় যায়। না’ভিদের পরিবেশ সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য বিজ্ঞানীরা জেরেটিক্যালি ইঞ্জিনিয়ার্ড কিছু না’ভি এবং মানুষের সংকর ব্যবহার করেন যারা দেখতে না’ভিদের মতই। আর মুভিটিও সেই না’ভিরূপী মানুষদের নামেই, অ্যাভাটার। অ্যাভাটার মুভিটি বিশ্বব্যাপী প্রায় ২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। আর এটিই বেশি আয় করা মুভি।

পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগলে কমেন্ট এবং শেয়ার করতে কার্পণ্য করবেন না। আপনাদের কমেন্ট এবং শেয়ার আমাদেরকে আরো বেশি লিখতে অনুপ্রেরণা যোগায়?।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *