দেশ পরিচিতি: ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা

 

আমেরিকার পুরো নাম ইউনাইটেড স্টেটস অফ আমেরিকা। এটি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত। ৫০ টি রাজ্য এবং একটি ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট নিয়ে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র। আমেরিকার রাজধানীর নাম ওয়াশিংটন ডিসি। আমেরিকার প্রধান ভাষা ইংরেজি এবং মুদ্রা হলো আমেরিকান ডলার।

আমেরিকার ইতিহাস

শত শত বছর ধরে আমেরিকায় বিস্তৃির্ন সমভূমি জুড়ে স্থানীয় মানুষেদের বসবাস ছিলো। তবে ১৭ শতকের প্রথম দিকে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকরা নতুন পৃথিবীর খোজে আমেরিকায় আসে এবং বসতি গড়ে তোলে। ঐ ঔপনিবেশিকরাই ১৮ শতকে যুুক্তরাজ্যের বিপক্ষে যুদ্ধ করে এবং ইউনাইটেড স্টেটস গঠন করে। স্বাধীনতার পর আমেরিকা পশ্চিমদিকে আরো বৃদ্ধি পায়। তবে ১৭৭৬ সালে স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই আমেরিকা বিশ্বের অন্যতম শক্তি হিসেবে পরিচিত।

আরো পড়ুন:  টপ ৫: আমেরিকার সবচেয়ে দর্শনীয় ও আকর্ষণীয় স্থান

আমেরিকার আয়তন ও ভৌগলিক অবস্থা

আমেরিকার আয়তন প্রায় ৩৭ লক্ষ ৯৪ হাজার ৮৩ বর্গ মাইল। আমেরিকা বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটির পশ্চিম দিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পূর্ব দিকে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর। উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত কানাডার সাথে এবং দক্ষিনাঞ্চলে রয়েছে মেক্সিকো। এটি ৫০টি রাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অফ কলম্বিয়া নিয়ে গঠিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেয়ে প্রায় দুইগুন বড় দেশটির পশ্চিমাঞ্চল পাহাড়ী এবং মধ্যাঞ্চল সমতল। দেশটির সর্বোচ্চ স্থান হলো ম্যাকিনলে পর্বতের চূড়া যা উচ্চতায় প্রায় ৬ হাজার ১শ ৯৮ মিটার এবং সর্বনিম্ন স্থান হলো ডেথ ভ্যালি যা ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮৬ মিটার গভীর। আমেরিকার ভৌগলিক অবস্থা খুবই বৈচিত্রময়। বন-জঙ্গল, পাহাড়-পর্বত, নদ-নদী, মরুভূমি সবই আছে আমেরিকাতে। ভূমির মতো প্রাণীজগতেও দেখা যায় বৈচিত্রতা। আমেরিকায় পাওয়া যায় বাইসন, কালো ভাল্লুক, হরিন সদৃশ গৃজলি, মেরু অঞ্চলের শ্বেত ভাল্লুক ইত্যাদি। এখানে ২০০০০ প্রজাতির বেশি ফুল পাওয়া যায়। আর আমেরিকার জাতীয় পাখি এবং প্রতীক হলো ঈগল।

আরো পড়ুন:  দেশ পরিচিতি: ভারত

আমেরিকার মানুষ ও সংস্কৃতি

সমগ্র ইতিহাস ঘেটেই বলা যায় আমেরিকা হলো অভিবাসীদের। এর জনসংখ্যা প্রায় ৩১৮ মিলিয়ন। যার অধিকাংশই আশ্রয়প্রার্থী এবং আরেকটু ভালো জীবনযাপনের আশায় আমেরিকায় আসা লোকজন। আর তাই আমেরিকান সংস্কৃতি বহু জাতির, বহু সংস্কৃতির মিশ্রণ।

আমেরিকার দর্শনীয় ও বিখ্যাত স্থান

আমেরিকা বিশ্বের অন্যতম পর্যটক ও আকাশযাপন স্থান। প্রতিবছর বহুলোক বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান দেখার আশায় আমেরিকায় আসেন। আমেরিকার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো গ্রান্ড ক্যানিয়ন, ম্যানহাটন, গোল্ডেন গেট ব্রীজ, নায়াগ্রা জলপ্রপাত, লাসভেগাস, ইয়োলোস্টোন, হোয়াইট হাউস, ওয়াল্ট ডিজনি ওয়ার্ল্ড, স্ট্যাচু অফ লির্বার্টি, ইউনিভার্সাল স্টুডিও হলিউড, রকি মাউন্টেইন ইত্যাদি।

আরো পড়ুন:  টপ ৫: আমেরিকার সবচেয়ে দর্শনীয় ও আকর্ষণীয় স্থান

এসব দর্শনীয় ও বিখ্যাত স্থান এবং উন্নত জীবনযাপনের উদ্দেশেই অনেক মানুষ পাড়ি দেন সপ্নের আমেরিকার উদ্দেশ্যে।

data-matched-content-rows-num="2" data-matched-content-columns-num="2"

1 Response

  1. May 5, 2018

    […] সংক্ষেপে মাউন্ট রাশমোর বলেই ডাকা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যের কিস্টোনে […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *